প্রচ্ছদ

৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

  |  ১৬:৪৩, জুন ০৩, ২০২১
www.adarshabarta.com

Manual5 Ad Code

আদর্শবার্তা ডেস্ক :

Manual6 Ad Code

২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। যা মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) জীবন-জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ-শীর্ষক এ বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। সরকারের এই বাজেট প্রস্তাবনায় রয়েছে বিশ্বময় করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নবিভোর পরিকল্পনা। বাজেট প্রস্তাবনায় রয়েছে করোনার কারণে কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পরিকল্পনা। তাই এবার বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তার বলয়। বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ও বাৎসরিক ভাতার পরিমাণ। জোর দেয়া হয়েছে খাদ্য নিরাপত্তার। জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় এসব তথ্য জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রীর ১৫৮ পাতার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, করোনার কারণে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্থ হয়েছে। মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে। জমানো পুঁজি ভেঙে খেয়েছে সাধারণ মানুষ। মোট কথা বিশ্বময় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তার পরেও সকল সংকট মোকাবিলা করে দেশের জিডিপি বেড়েছে। বেড়েছে মানুষের মাথাপিছু গড় আয়। এগুলো নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে। এই সমৃদ্ধিকে পুঁজি করে মাথা উচু করে বিশ্ব দরবারে দাঁড়াবে বাংলাদেশ।

সরকার আগামী অর্থবছরের বাজেটে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান বাড়ানো, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছে। এ জন্য বাজেটে দিক নির্দেশনা রয়েছে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে চলতি অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় আগামী বাজেটেও করপোরেট করে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

Manual8 Ad Code

অর্থমন্ত্রীর ভাষায় এবারের বাজেট হচ্ছে “মানুষের জন্য”। এরআগে জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে বাজেট অনুমোদন করা হয়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত বাজেট সংসদে উপস্থাপনের অনুমতি দিয়ে তাতে সম্মতিসূচক স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। এরপরই অর্থমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সংসদ সদস্যরা করতালি ও টেবিল চাপরিয়ে তাদেরকে স্বাগত জানান।

প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সম্পাদিত কাজের শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী সামগ্রিক ব্যয় কাঠামো (উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয়) তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলি হলো: সামাজিক অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো ও সাধারণ সেবা খাত।

সামাজিক অবকাঠামো খাতে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫১০ কোটি টাকা বরাদ্দ ও মানবসম্পদ খাতে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব রাখা হয়।
সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয় ১ লাখ ৭ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা; কৃষি ও পল্ল­ী উন্নয়ন খাতে ৭৪ হাজার ১০২ কোটি টাকা এবং যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে ৬৯ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে ২৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকার প্রস্তাব রাখা হয়। করোনা মোকাবেলায় ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ; স্বাস্থ্যখাতে ৩২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের গবেষণায় বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ২৬ হাজার ৩১১ কোটি টাকা; মাধমিক ও উচ্চ শিক্ষায় ৩৬ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষায় ৯ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪১ হাজার ১০ কোটি টাকা ও কৃষিখাতে ২৪ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়।

Manual8 Ad Code

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪ হাজার ১৯১ কোটি টাকা; তৈরি পোশাক খাতে ১ শতাংশ হারে রপ্তানি প্রণোদনা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়। পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।

Manual2 Ad Code

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code