প্রচ্ছদ

ধান চাল সংগ্রহে কৃষক যেন হয়রানির শিকার না হয় : খাদ্যমন্ত্রী

  |  20:16, May 04, 2021
www.adarshabarta.com

Manual4 Ad Code

আদর্শবার্তা ডেস্ক :

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চলতি বোরো মৌসুমে সঠিক সময়ে নতুন ফসল ঘরে তুলতে পারলে খাদ্যের সমস্যা হবে না। খাদ্যশস্য সংগ্রহে ধানকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং কৃষক যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়।

Manual3 Ad Code

আজ মঙ্গলবার মন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

ভিডিও কনফারেন্সে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অধীন জেলাগুলোর করোনা মোকাবিলা পরিস্থিতি, চলতি বোরো ধান কাটা-মাড়াই, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী।

Manual7 Ad Code

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষকের স্বার্থের কথা চিন্তা করে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য কেনার সময় ধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এবারের বোরো মৌসুমে সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টন ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে এবং সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করা হবে। যা করোনা দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

Manual6 Ad Code

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের মতো আমাদের দেশও একটা মহামারির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে মিলেমিশে, ভালো আচরণ করার মাধ্যমে, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিত্য-নতুন উদ্যোগ নিয়ে চলমান বোরো সংগ্রহ অভিযান শতভাগ সফল করতে হবে।

Manual8 Ad Code

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা করোনার সঙ্গে যেমন যুদ্ধ করছি, তেমনি করোনা পরবর্তী খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করার জন্যও আমাদের এখন থেকেই যুদ্ধ করতে হবে। খাদ্যশস্য সংগ্রহে যাতে কোনো অনিয়ম না হয়, সেজন্য খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে।

ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতা ও করোনা মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান মন্ত্রী। কোনো কৃষক যেন খাদ্যগুদামে ধান দিতে এসে ফেরত না যায় এবং কোনোভাবেই যেন কৃষক হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি গুদামের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খামালের উচ্চতা বৃদ্ধি করাসহ কিছু দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শও দেন তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত থেকে খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, কোনোভাবেই পুরান চাল নেওয়া যাবে না।

ভিডিও কনফারেন্সে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রংপুরের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, নাটোর, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা ও দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও মিলমালিকদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code