ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের বর্ণমাউথ সি-সাইডে কার্ডিফ কমিউনিটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
সালেহ আহমদ (স’লিপক):
ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের বর্ণমাউথ সি-সাইডে কার্ডিফ কমিউনিটির বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বৃটেনের কার্ডিফ কমিউনিটির উদ্দ্যোগে কমিউনিটি সংগঠক ভিপি সেলিম আহমেদ, যুব সংগঠক খলিলুর রহমান, সামাজিক ব্যক্তিত্ব সুমন আলী ও সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ওয়েলস থেকে ইংল্যান্ডের ডরসেট এর নৈশ্বর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এর বর্ণমাউথ সি-সাইডে কোচ বহরে যাবার পথে রকমারি সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি গান, কৌতুক, আবৃত্তিসহ পিকনিক স্পটে হই-হুল্লোড় আর আনন্দের মাখামাখিতে সারাদিন রোমাঞ্চিত ছিলেন পিকনিকে অংশগ্রহণকারীরা।
সমুদ্রের পাড়ে কাবাডি খেলা, রশি টানাটানি, হাঁড়ি ভাঙা কিংবা সাঁতার কাটা আর আনন্দের আয়োজন সব বয়সীদের জন্যই এক অপূর্ব স্মৃতি তৈরি করে দেয়। ঐতিহ্যবাহী কাবাডি খেলায় ওয়েলস বাংলা নিউজ এর সম্পাদক মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর দল ও রশি টানাটানিতে কমিউনিটি সংগঠক শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার এর দল চ্যাম্পিয়ন এবং হাঁড়ি ভাঙায় ভূবেল রহমান বিজয়ী হয়েছেন।
ডিনারপার্টি শেষে কমিউনিটি সংগঠক ভিপি সেলিম আহমেদ,ও যুব সংগঠক খলিলুর রহমান এর পরিচালনায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার বিতরণকালে কার্ডিফ কাউন্টি কাউন্সিলার সালেহ আহমেদ, ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুর, আলহাজ্ব লিলু মিয়া, হারুন তালুকদার, লিয়াকত আলী, আসাদ মিয়াসহ কমিউনিটির বিশিষ্টজনরা বক্তব্য প্রদানকালে নবীন ও প্রবীণদের এই মেলবন্ধন এবং চমৎকার আয়োজন নিশ্চয়ই কার্ডিফ কমিউনিটির মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে আগামীতে এ রকম আয়োজন অব্যাহত রাখার আহবান জানান।
বর্ণমাউথ সি-সাইডে আনন্দঘন পরিবেশে দিনব্যাপি মনোমুগ্ধকর আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে কমিউনিটি সংগঠক গোলাম মর্তুজা, আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল, আফজাল খান মিতু, মুহিবুর রহমান মায়া, মুজিবুর রহমান, সৈয়দ ইকবাল আহমেদ, আবুল কালাম মুমিন, রকিবুর রহমান, জহির আলী, আলমগীর আলম, কয়েস খান, আব্দুল জলিল, ফখরুল ইসলাম, জমসেদ ইউসুফ, ফয়জুল ইসলাম, আকমল আলী, ফয়েজ মিয়া, মুজিব মিয়া, সেলিম আহমদ, আবুল রোকসান, বুবল মিয়া, তমসসির আলী, আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মানিক মিয়া, সায়েম আহমেদ, কুদ্দুস মিয়া, ফেরদৌস আলী, বেলাল মিয়া, সেবুল হোসেন, মারুফ আহমেদ, কামাল হোসেন, গিয়াস মিয়া, মুজাহিদ আলী, সাদিকুর রহমান, কামাল মিয়া, রশিদ আহমেদ, আব্দুল কাদির, মোহাম্মদ তাহেফ প্রমুখ অংশগ্রহণকারীরা পিকনিক স্পটে হই-হুল্লোড় আর আনন্দের মাখামাখিতে সারাদিন রোমাঞ্চিত ছিলেন। যাত্রাকালে বাসের ভেতর জম্পেশ আড্ডায় মেতে ওঠে যাত্রীরা গান, কৌতুক, আবৃত্তিসহ নানাবিধ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে দিতে কখন যে সময় চলে যায়। বাস থেকে নেমে শুরু হয় প্রতীক্ষিত সমুদ্র স্নানের পালা। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি চলা উৎসবটি প্রবাসীদের এক মিলনমেলায় রূপ নেয়।
উল্লেখ্য, প্রবাসের শৃঙ্খলিত জীবনের কর্মব্যস্ততাকে মাড়িয়ে, বৃটেনের মাটিতে এখন ধুমধাম চলছে সামার ট্রিপের উৎসব। প্রবাসীদের গ্রীষ্মকালীন বনভোজন উৎসবের ভালো দিকটি হচ্ছে তা বহু মানুষের সংস্কৃতির সম্মিলন ঘটায়। দেশের সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা প্রবাসীরা আসেন প্রাণের টানে। আসেন আবেগের টানে ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে আনন্দ উপভোগ করতে। এ যেনো এক প্রাণের বন্ধন,আত্মার আত্মীয়তা, এ’রকম উদ্দ্যোগ প্রতিবছর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পিকনিকে অংশগ্রহণকারীরা।

