প্রচ্ছদ

চীনের ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল আমিরাতে, অক্সফোর্ডের টিকা ব্রাজিল ও দ. আফ্রিকায়

  |  13:40, June 25, 2020
www.adarshabarta.com

Manual8 Ad Code

মোঃ নাসির, বিশেষ প্রতিনিধি :

Manual4 Ad Code

চীনের প্রথম কম্পানি হিসেবে চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ (সিএনবিজি) বিদেশে করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে। আর এমনটি হলে বিশ্বে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু হবে। চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপের (সিএনবিজি) তৈরি এ ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত ট্রায়াল হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই)। এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার সিএনবিজি ও আমিরাতি গ্রুপ ৪২-এর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, তাঁদের এই ভ্যাকসিনের প্রথম দুই ধাপের পরীক্ষা সফল হয়েছে। তবে চীনে করোনার সংক্রমণ কমে আসায় এবার বিদেশে এর তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

সিএনবিজি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের ভ্যাকসিনটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে সফল হয়েছে। ব্যবহারকারীদের কারোরই তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি এবং ২৮ দিনে দুটি ডোজ দেওয়ার পরই তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এদিকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরি করা টিকাটি (ভ্যাকসিন) এবার ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হচ্ছে। এ দেশ দুটিতে ভাইরাসটির সংক্রমণ বর্তমানে দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকায় সেখানে টিকাটির পরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ। অক্সফোর্ড সূত্র জানায়, চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকায় অন্তত দুই হাজার এবং ব্রাজিলের সাওপাওলোতে দুই হাজার স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী ও রিও ডি জেনেইরোতে এক হাজার মানুষের শরীরে টিকাটি প্রয়োগ করা হবে।
লেম্যান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় টিকাটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করছে। এক বিবৃতিতে লেম্যান ফাউন্ডেশন বলছে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ব্রাজিলে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য টিকাটি মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করবে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ওষুধ প্রস্তুতকারক কম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার সহায়তায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করা করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন চ্যাডক্স-১ এনকোভ-১৯ দেশের মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন দেয় ব্রাজিলের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আনভিসা। ব্রাজিলে সংক্রমণ এখনো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। একই চিত্র দক্ষিণ আফ্রিকায়ও। এ দুই দেশকে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশ দুটিতে করোনার ব্যাপক বিস্তার ঘটছে। ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় অক্সফোর্ডের এই টিকার পরীক্ষা চালানোর আগে ব্রিটেনেও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল।

Manual3 Ad Code

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code