প্রচ্ছদ

ঈদযাত্রা ঠেকাতে না পারলে করোনা প্রতিরোধ করা যাবে না

  |  ১৩:৩২, মে ১৮, ২০২০
www.adarshabarta.com

আদর্শবার্তা ডেস্ক:

ঈদযাত্রা ঠেকাতে না পারলে সরকার করোনা প্রতিরোধ ও সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে করতে পারবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। সোমবার (১৮ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দীন চৌধুরী এই আশঙ্কা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজধানীসহ সারা দেশে গত ২৬ মার্চ থেকে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি চলছে। এই ছুটি চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। লকডাউন চলছে, বন্ধ রয়েছে গণপরিবহনও। সরকারের পক্ষ থেকে এবারের ঈদুল ফিতরের ঈদযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঈদের আগে ৪ দিন, ঈদের দিন ও ঈদের পরের ২ দিন সব ধরনের যান চলাচলে কঠোর থাকার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। অথচ মানুষ ইতোমধ্যে অন্যান্য বছরের মতোই ঈদযাত্রার আমেজ নিয়ে ছুটছে বাড়ির দিকে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ব্যক্তিগত গাড়ি, পণ্যবাহী যান ও মোটরসাইকেলকে বেছে নিয়েছেন। কোনোভাবেই মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও মানুষকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল। এদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই সাধারণ মানুষের।
বিজ্ঞপ্তিতে সামসুদ্দীন চৌধুরী বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদ আমাদের জন্য ভিন্নরকম। সারা দেশে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা সংক্রমণ থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। তবে ঈদযাত্রা ঠেকাতে ব্যর্থ হলে সারা দেশে করোনার সংক্রমণ বিপুলভাবে ছড়িয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, এবারের ঈদযাত্রা ঠেকাতে শুধু পুলিশ বাহিনী নয়, পাশাপাশি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা ও মাজিস্ট্রেটরা, প্রতিটি জেলা-উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল যেন এক জেলা থেকে অন্য জেলায়, এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলা চলাচল করতে না পারে সে বিষয়ে সব সংস্থাকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে। পণ্যবাহী যানে যেন কোনোভাবে যাত্রী বহন করা না হয় এবং নৌঘাটগুলোয় ফেরি চলাচলে যেন কোনও যাত্রী বহন করতে না পারে সে বিষয়ে সরকারকে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে জানান তিনি।