প্রচ্ছদ

করোনাকে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরোধ করবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন, দাবি প্রধান গবেষকের

  |  16:00, July 05, 2020
www.adarshabarta.com
Photo courtesy of Mahfuzur Rahman

Manual5 Ad Code

মোঃ নাসির, বিশেষ প্রতিনিধি :

Manual1 Ad Code

ভারতের হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভারত বায়োটেকের তৈরি নভেল করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক ‘কোভ্যাক্সিন’ বাজারে আসার দিনক্ষণ এরই মধ্যে ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’ বা আইসিএমআর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিশ্বের প্রথম করোনা প্রতিষেধক হিসেবে বাজারে আত্মপ্রকাশ করবে কোভ্যাক্সিন। এতদিন পর্যন্ত করোনা প্রতিষেধকের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরি প্রতিষেধককে পেছনে ফেলে আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে বাজারে আসার কথা ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন।

Manual1 Ad Code

অন্যদিক অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি প্রতিষেধকটির শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। তৃতীয় বা শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালে আট হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এ প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে করোনার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম তাঁদের তৈরি প্রতিষেধক, এমনটাই দাবি করলেন অক্সফোর্ডের প্রতিষেধক গবেষণার প্রধান ড. সারা গিলবার্ট। সংবাদমাধ্যম ফার্স্ট পোস্ট এ খবর জানিয়েছে। ড. গিলবার্ট জানান, করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সফল হয়েছে তাঁদের তৈরি প্রতিষেধক। একাধিক পরীক্ষায় এর প্রমাণও মিলেছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের তৈরি এ প্রতিষেধক করোনার বিরুদ্ধে কয়েক বছর ধরে প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম বলে দাবি করেন ড. গিলবার্ট।
অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনা প্রতিষেধকের সুরক্ষার মেয়াদ নিয়ে আগেই জানিয়েছিলেন ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকার কার্যনির্বাহী প্রধান প্যাসকাল সরিওট। সরিওট জানান, এ প্রতিষেধক এক বছর পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে পারবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। তবে অক্সফোর্ডের প্রতিষেধক বিশেষজ্ঞ ড. সারা গিলবার্টের দাবি, তাঁদের তৈরি করোনার প্রতিষেধক বেশ কয়েক বছর পর্যন্ত ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, শরীরের সাধারণ প্রতিরোধ ক্ষমতার চেয়ে অনেকটাই শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়তে পারবে অক্সফোর্ডের এ প্রতিষেধক।

এদিকে ইতোমধ্যেই অক্সফোর্ডের প্রতিষেধকের উৎপাদনের কাজ শুরু করে দিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও বিশ্বের বৃহত্তম প্রতিষেধক প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। এ ভ্যাকসিনের উৎপাদনের কাজ শুরু হবে ব্রাজিলেও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার, ইংল্যান্ডে ১০ হাজার এবং ব্রাজিলে অন্তত দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এ প্রতিষশেধকের চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়াল হবে। তবে সব কিছুর আগে প্রতিষেধকের সুরক্ষার বিষয়টিকেই জোর দিয়ে দেখছেন অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা। এ ক্ষেত্রে কোনো রকম তড়িঘড়ি করতে চাইছেন না তাঁরা।

Manual8 Ad Code

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code